spacer search
logo

Bangladesh Thalassemia Foundation
Making the Difference

Search
spacer
  • Bengali
  • English
হোম পেজ arrow খবর arrow থ্যালাসিমিয়া রোগে লৌহ নিষ্কাশনের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত
Main Menu
হোম পেজ
খবর
সংবাদমাধ্যমে খবর
কর্মকান্ড
সেবাসমূহ
Donate us
রক্ত পরিসঞ্চালন কেন্দ্র
অন্যন্য সংগঠন
ডাউনলোড রিসোর্স
গুরুত্বপূর্ন লিংক
যোগাযোগ
MSc in Hemoglobinopathy
থ্যালাসিমিয়া ডিরেক্টরি
Login Form





পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
সদস্য হননি এখনো? রেজিস্টার
E-newsletter
Subscribe to our newsletter -
BTF Update

Receive HTML?

Syndicate
Donate us - Online

Enter Amount:

 
থ্যালাসিমিয়া রোগে লৌহ নিষ্কাশনের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত পিডিএফ প্রিন্ট কর ইমেল
Wednesday, 12 December 2007
Imageগত ১২ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে বারডেম হাসপাতাল অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশন এবং বাংলাদেশ সোসাইটি অফ হেমাটোলজি এর যৌথ উদ্যোগে "থ্যালাসিমিয়া রোগে লৌহ নিষ্কাশনের ভূমিকা - বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষাপট” শীর্ষক একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে থ্যালাসিমিয়া রোগে লৌহ নিষ্কাশনের গুরুত্ব সম্পর্কে দেশের খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হেমাটোলজী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং বাংলাদেশ সোসাইটি অফ হেমাটোলজির সভাপতি প্রফেসর ডা. জলিলুর রহমান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পেডিয়াট্রিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ-এর সভাপতি প্রফেসর ডাঃ এম এ মান্নান এবং বাংলাদেশ সোসাইটি অফ হেমাটোলজির মহাসচিব প্রফেসর ডাঃ এম এ খান।

থ্যালাসিমিয়া রক্তের একটি বংশগত মারাত্মক রোগ, যা পিতা মাতার কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে রোগীদের মধ্যে আসে। এদের প্রতি ২-৪ সপ্তাহ অন্তর নিয়মিত ১ থেকে ২ ব্যাগ রক্ত প্রদান করতে হয়। এভাবে নিয়মিত রক্ত দেওয়ার ফলে রোগীদের শরীরে লৌহকণিকা জমা হতে থাকে। অতিরিক্ত লৌহের বিষক্রিয়ায় এদের শরীরে তখন নানাধরণের রোগ দেখা যায়, যেমন -- হার্ট ফেইলিওর, লিভার সিরোসিস, ডায়াবেটিস, বিলম্বিত বয়ঃপ্রাপ্তি এবং অপর্যাপ্ত দৈহিক বৃদ্ধি।

সেমিনারের মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ সোসাইটি অফ হেমাটোলজির বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক ডা. আমিন লুৎফুল কবির। তিনি বলেন, “রোগীদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ডেসফেরল বা কেলফার-এর মত লৌহ নিষ্কাশক ঔষধ নেয়া উচিৎ। চামড়ার নিচে স্থাপিত ব্যাটারী চালিত সহজে বহনযোগ্য এক ধরণের পাম্প-এর মাধ্যমে ডেসফেরল সপ্তাহে কমপক্ষে ৫-৬ দিন নেয়া উচিৎ। এছাড়া দিনে ৩ বার কেলফার ঔষধ খাওয়া উচিৎ এবং সেই সাথে এসকল ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে হয়।”

উক্ত সেমিনারে বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশনের মহাসচিব ডাঃ আবদুর রহিম জানান, আমাদের দেশে লৌহ নিষ্কাশক ঔষধের দুষ্প্রাপ্যতা এবং সঠিক পরামর্শের অভাবে বেশির ভাগ রোগীই নিয়মিত ঔষধ গ্রহণ করতে পারে না। ফাউন্ডেশনের ক্রমাগত প্রচেষ্টার ফলশ্রুতিতে নোভারটিস বাংলাদেশ সমপ্রতি ডেসফেরল এদেশে বাজারজাত করে। বর্তমানে ফাউন্ডেশন থেকে ডেসফেরল, কেলফার সহ লৌহ নিষ্কাশনের যাবতীয় ঔষধ সামগ্রী পাওয়া যায় এবং রোগীদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়।

সেমিনারে বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে থ্যালাসিমিয়া রোগীদের জন্য সমন্বিত থ্যালাসিমিয়া চিকিৎসা কেন্দ্র”-এর উদ্যোগের কথা তুলে ধরা হয়। এই কেন্দ্রে রোগীদের রক্ত সঞ্চালন, লৌহ নিষ্কাশন সহ পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা দেয়া হবে। রোগীদের জন্য ফাউন্ডেশন নিজস্ব উদ্যোগে রক্ত সংগ্রহ করবে, রোগীর অভিভাবকদের এই নিয়ে ঝামেলা পোহাতে হবে না। এছাড়া এখানে নিজস্ব ল্যাবরেটরীর মাধ্যমে রোগীদের সকল প্রকার পরীক্ষা নিরীক্ষার ব্যবস্থা থাকবে। প্রাথমিক ভাবে এই কেন্দ্রে ২০০ জন রোগীকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

ডেসফেরল, কেলফার থ্যালাসিমিয়া রোগীদের জীবন রক্ষাকারী ঔষধ। তাই এর উপর থেকে কর মওকুফ করার জন্য অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রফেসর ডা. জলিলুর রহমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

 
পরে >
spacer
Upcoming Events
View Full Calendar
Event Calendar
April 2008 May 2008 June 2008
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Week 18 1 2 3
Week 19 4 5 6 7 8 9 10
Week 20 11 12 13 14 15 16 17
Week 21 18 19 20 21 22 23 24
Week 22 25 26 27 28 29 30 31

© 2008 Bangladesh Thalassemia Foundation